মূল অংশে যান

বাংলাদেশ থেকে ভারতের মেডিকেল ভিসা: প্রক্রিয়া কী, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত

লিখেছেন Jay Parveসূত্র শেষ যাচাই

এই পাতাটি প্রকাশিত নয়। এখনও কোনো লেখকের নাম দেওয়া হয়নি, তাই সার্চ ইঞ্জিনকে এটি ইনডেক্স না করতে বলা হয়েছে এবং এটি আমাদের সাইটম্যাপে নেই।

অবস্থা যাচাই করা হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে। নিয়ম বদলায়। প্রতিটি তথ্যের পাশে যে লিংক আছে, সেটিই আমাদের পড়া উৎস। কিছু করার আগে নিজে দেখে নিন।

অন্য ওয়েবসাইট নিয়ে একটি সতর্কতা — একটি সরকারি ওয়েবসাইটসহ। আইভিএসি-র হোমপেজে এখনো ২০২৪ সালের সীমিত কার্যক্রমের সময়ের একটি উপদেশ দেখা যায়, যেখানে লেখা আছে কেন্দ্রগুলো কেবল "সীমিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট" দিচ্ছে। ওই লেখাটি ২০২৪ সালের পর আর হালনাগাদ হয়নি। ২৫ জুন ২০২৬-এ হাই কমিশনের ঘোষণা এবং ১ জুলাই ২০২৬-এর নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা তার জায়গা নিয়েছে — দুটোরই লিংক নিচে আছে। পুরনো উপদেশটিকে আজকের অবস্থা ভেবে পড়বেন না।


১. মেডিকেল ভিসা বন্ধ হয়নি — জরুরি চিকিৎসার ভিসা চালু ছিল

২০২৪ সালের আগস্টের পর বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম কমিয়ে আনা হয়েছিল। পর্যটন ভিসা বন্ধ হয়েছিল। মেডিকেল ভিসা বন্ধ হয়নি।

একটি শব্দ খেয়াল করুন, ভারতীয় পক্ষ বারবার সেটিই ব্যবহার করেছে: জরুরি। নিচের উৎসগুলো যা নিশ্চিত করে তা হলো, মানবিক বিবেচনায় জরুরি ক্ষেত্রে মেডিকেল ভিসা চালু ছিল। প্রতিটি মেডিকেল আবেদন স্বাভাবিক নিয়মে প্রক্রিয়া হয়েছে — এমন কথা তারা বলেনি।

ভারতীয় হাই কমিশনের নিজস্ব বিবৃতি, দ্য ডেইলি স্টারে উদ্ধৃত:

"Despite the security challenges, India continued operating visa centres in Dhaka, Chittagong, Khulna, Sylhet and Rajshahi to meet humanitarian needs, particularly for patients seeking medical treatment … India has been issuing more than 1,500 visas daily across all categories except tourist visas."

(বাংলায় এর অর্থ: নিরাপত্তাজনিত সমস্যা সত্ত্বেও ভারত মানবিক প্রয়োজন মেটাতে — বিশেষ করে চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীদের জন্য — ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহীতে ভিসা কেন্দ্র চালু রেখেছে। পর্যটন ভিসা ছাড়া সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে ভারত প্রতিদিন ১,৫০০-র বেশি ভিসা দিয়ে আসছে।)

— ভারতীয় হাই কমিশনের বিবৃতি, দ্য ডেইলি স্টার, ২৫ জুন ২০২৬ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

২৫ জুন ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ঘোষণা করেন, ২৮ জুন ২০২৬ থেকে পর্যটন ভিসা আবার চালু হবে। একই ঘোষণায় তিনি বলেন:

"We will continue to facilitate medical visas in urgent cases on humanitarian considerations."

(বাংলায়: মানবিক বিবেচনায় জরুরি ক্ষেত্রে আমরা মেডিকেল ভিসার সুবিধা দিয়ে যাব।)

— প্রথম আলো (ইংরেজি), ২৫ জুন ২০২৬ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

দ্য ডেইলি স্টার একই সংবাদ সম্মেলনের একই বক্তব্য ছেপেছে।

পাঁচটি কেন্দ্র চালু আছে: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা। হাই কমিশনার বলেছেন, ধীরে ধীরে অন্য শহরেও কার্যক্রম বাড়ানো হবে (উপরের দুটি উৎস)।

উৎস সম্পর্কে সৎ কথা: আমরা ঘোষণাটি হাই কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইট hcidhaka.gov.in-এ পড়তে চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সার্ভারটি আমাদের কাছে সাড়া দেয়নি। তাই আমরা বাংলাদেশের দুটি স্বীকৃত সংবাদপত্রকে উদ্ধৃত করছি, যারা একই সংবাদ সম্মেলন কভার করেছে এবং হাই কমিশনের লিখিত বিবৃতি ছেপেছে।


২. আসল বাধা যোগ্যতা নয়, অ্যাপয়েন্টমেন্টের সীমা

এটাই সত্যি কথা, এবং বেশিরভাগ ওয়েবসাইট যা লেখে তার চেয়ে আলাদা।

আপনার আবেদন করায় বাধা নেই। সীমা আছে — প্রতিটি কেন্দ্র দিনে কতজনকে দেখতে পারে, তাতে।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে সব ভিসা ক্যাটাগরিতে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় সিস্টেম নিজে বরাদ্দ করে:

"Time-slots shall be allotted automatically by the system in a sequential manner based on the daily configured appointment capacity of each visa application centre."

(বাংলায়: প্রতিটি ভিসা আবেদন কেন্দ্রের দৈনিক নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ধারণক্ষমতার ভিত্তিতে সিস্টেম নিজেই ধারাবাহিকভাবে টাইম-স্লট বরাদ্দ করবে।)

— আইভিএসি-র বিজ্ঞপ্তি, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে, ১ জুলাই ২০২৬ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে বুকিংয়ের সময় হাতে করে স্লট বেছে নিতে হবে না, এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশনে লেখা সময় অনুযায়ীই কেন্দ্রে যেতে হবে।

এর থেকে তিনটি কথা বেরিয়ে আসে, এবং তিনটিই গুরুত্বপূর্ণ:

  1. আপনি নিজের সময় বেছে নিতে পারবেন না। সিস্টেম ঠিক করে দেয়।
  2. অন্য কেউও আপনার হয়ে বেছে নিতে পারবে না। দালাল বা মধ্যস্থতাকারী কেউ নয়।
  3. সংখ্যাটি প্রকাশ করা হয়নি। আইভিএসি বলছে ধারণক্ষমতা "নির্ধারিত", কিন্তু কত তা বলেনি। অন্য ওয়েবসাইটে স্লটের যেসব সংখ্যা দেখা যায়, সেগুলোর কোনোটিরই সরকারি উৎস আমরা খুঁজে পাইনি। তাই আমরা কোনো সংখ্যা লিখছি না।

৩. কোন ক্যাটাগরির ভিসা

ভারতের প্রকাশিত ভিসা তালিকায় মেডিকেল ভিসার ক্যাটাগরি "M", তার চারটি সাব-ক্যাটাগরি:

কোডকাদের জন্য
M-1চিকিৎসা নিতে আসা বিদেশি নাগরিকদের জন্য (আয়ুষ পদ্ধতি ব্যতীত)
M-2M-1 ভিসা নিয়ে আগতদের চিকিৎসা সহকারীদের জন্য
M-3আয়ুষ পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিতে আসা বিদেশি নাগরিকদের জন্য
M-4M-3 ভিসা নিয়ে আগতদের চিকিৎসা সহকারীদের জন্য
M-1Xচিকিৎসা নিতে আসা বিদেশি নাগরিকদের নির্ভরশীলদের জন্য

আইভিএসি-র আরও একটি নির্দেশনা আছে: "নাবালক আবেদনকারীদের সাথে অবশ্যই একজন পিতা-মাতা বা অভিভাবককে 'মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট' (চিকিৎসা-সহকারী) হিসেবে থাকতে হবে। রোগী নাবালক হলে, পিতা-মাতা 'মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট' (M2) হিসেবে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন এবং M2 ভিসা-ধারীর ওপর নির্ভরশীল অন্য কোনো ভাই-বোন বা নাবালক সন্তান 'X-Misc' ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।"

(উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

একজন রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ কতজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারেন, তার কোনো প্রকাশিত সীমা আমরা খুঁজে পাইনি। M-2 ক্যাটাগরিটি আছে। সংখ্যাটি আমাদের পড়া কোনো পাতায় নেই। কোনো ওয়েবসাইট বা এজেন্ট নির্দিষ্ট সংখ্যা বললে জিজ্ঞেস করুন সেটি কোথায় লেখা আছে।


৪. মেডিকেল ভিসার জন্য আইভিএসি যে কাগজপত্র চায়

এটি আইভিএসি-র নিজের তালিকা, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে https://www.ivacbd.com/kind-of-visas-documents থেকে পড়া।

সবার জন্য সাধারণ কাগজপত্র:

  • মূল পাসপোর্ট — জমা দেওয়ার দিন কমপক্ষে ছয় মাসের মেয়াদ থাকতে হবে এবং কমপক্ষে দুটি খালি পাতা থাকতে হবে। ২ ও ৩ নম্বর পাতার ফটোকপি। সব পুরনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে — না দিলে আবেদন অসম্পূর্ণ ধরা হবে।
  • এক কপি রঙিন ছবি — তিন মাসের বেশি পুরনো নয়, ২x২ ইঞ্চি (৩৫০x৩৫০ পিক্সেল), সম্পূর্ণ মুখ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড।
  • বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ — জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং একটি ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস বা পানি), যা ছয় মাসের বেশি পুরনো নয়।
  • পেশার প্রমাণ — চাকরিজীবীদের জন্য প্রতিষ্ঠানের সনদ; শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র; অবসরপ্রাপ্তদের জন্য অবসরের কাগজপত্র।
  • আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ — আন্তর্জাতিক ট্রাভেল কার্ড, অথবা গত তিন মাসের হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট, অথবা জনপ্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট (জমা দেওয়ার সময় এক মাসের বেশি পুরনো নয়), অথবা পাসপোর্টে চলতি বছরের এনডোর্সমেন্টসহ আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড। আইভিএসি স্পষ্ট লিখেছে, জাল ডলার এনডোর্সমেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ হিসেবে গণ্য হবে।
  • বিজিডি রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।
  • বর্তমান পাসপোর্ট, পুরনো পাসপোর্ট, এনআইডি ও জন্মসনদে জন্মতারিখ ও জন্মস্থান এক হতে হবে।

মেডিকেল ভিসার জন্য অতিরিক্ত কাগজপত্র:

  • নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে ভারত থেকে মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র।
  • স্বীকৃত হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছ থেকে মূল চিকিৎসা সনদ, যাতে রোগীর অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ থাকবে।
  • প্রথমবার গেলে — বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য চিকিৎসাধীন ডাক্তারের সুপারিশ; চিকিৎসা চলমান থাকলে — ভারতের চিকিৎসাধীন ডাক্তারের সুপারিশ।
  • চিকিৎসা সংক্রান্ত সব মূল কাগজপত্র।
  • হাসপাতালে ভর্তি বা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ চাওয়া হতে পারে: গত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং ব্যাংকের সচ্ছলতার সনদ।

সৎ সতর্কতা: আইভিএসি-র এই পাতায় ১৬ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ দেখানো থাকলেও এতে নতুন ভিসা কাঠামোর তথ্য আছে। এটিই আইভিএসি-র প্রকাশিত তালিকা এবং আমরা যেদিন পড়েছি সেদিনকার অবস্থা। কাগজপত্র গোছানোর আগে পাতাটি নিজে একবার খুলে দেখুন। আইভিএসি-র বাংলা পাতায় কয়েকটি ছাপার ভুল ও অনুবাদের ভুল আছে, তাই মূল ইংরেজি পাতাটিকেই আমরা নির্ভরযোগ্য ধরেছি।


৫. খরচ কত

দুটি সংখ্যা। দুটিই আইভিএসি-র নিজের বিজ্ঞপ্তি থেকে, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে https://www.ivacbd.com/ থেকে পড়া।

  • বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারত সরকারের ভিসা ফি: শূন্য। আইভিএসি: "ভারত সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের নিকট থেকে কোনো ভিসা ফি গ্রহণ করে না এবং ভারতীয় ভিসা বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য পূর্বের ন্যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।"
  • আইভিএসি-র প্রক্রিয়াকরণ ফি: সর্বমোট ১,৫০০ টাকা, ১০.০৮.২০২৫ থেকে কার্যকর। আইভিএসি একে "শুধুমাত্র ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার কর্তৃক প্রদত্ত সেবা চার্জ" বলেছে, এবং জানিয়েছে ২০১৮ সালের পর এটিই প্রথম পরিবর্তন।

তৃতীয় একটি সংখ্যা আছে, কিন্তু সেটি ফি নয় — ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ১৫০ মার্কিন ডলার আপনার কাছে টাকা আছে তার প্রমাণ, কাউকে দেওয়ার টাকা নয়।

এই পাতায় আমরা আর কোনো দাম লিখিনি। কোনো চিকিৎসার খরচ, কোনো হাসপাতালের চার্জ বা কোনো এজেন্টের ফি আমরা যাচাই করিনি, তাই লিখছিও না। কোনো ওয়েবসাইটে চিকিৎসার খরচ দেখলে জিজ্ঞেস করুন — এই হিসাব কে দিয়েছে, লিখিতভাবে।


৬. চার ধাপ, আইভিএসি যেভাবে প্রকাশ করেছে

  1. অনলাইনে আবেদন — https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/index.html
  2. অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও পেমেন্ট নির্বাচন — https://appointment.ivacbd.com/
  3. আইভিএসি-তে ফর্ম জমা দেওয়া
  4. পাসপোর্ট গ্রহণ

(উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

আপনার বরাদ্দ হওয়া সময় অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশনেই লেখা থাকবে (২ নম্বর অনুচ্ছেদ)।

কেন্দ্রে যাওয়ার আগে আইভিএসি-র প্রকাশিত নিরাপত্তা নিয়ম জেনে নিন: মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, ল্যাপটপ বা কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্র ভেতরে নেওয়া যায় না; কোনো ব্যাগও নয় — শুধু আবেদনের কাগজপত্রসহ একটি পলিথিন ব্যাগ। কেন্দ্রে এসব রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। বন্ধু, আত্মীয় বা ব্যবসায়িক পরিচিতজনকে সঙ্গে নেওয়া যায় না; শ্রবণপ্রতিবন্ধী আবেদনকারীর সঙ্গে দোভাষী যেতে পারেন, এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী আবেদনকারীর সঙ্গে কেন্দ্রের কর্মীরা থাকেন (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।


৭. ভারতে পৌঁছানোর পর

ই-অ্যারাইভাল কার্ড। আইভিএসি-র ১৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ভারতে আসা সব বিদেশি নাগরিক পৌঁছানোর আগেই অনলাইনে ডিসএমবারকেশন কার্ড (ই-অ্যারাইভাল কার্ড) জমা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন — ব্যুরো অব ইমিগ্রেশনের ওয়েবসাইট https://boi.gov.in, ভারতীয় ভিসা ওয়েবসাইট https://indianvisaonline.gov.in, অথবা "Indian Visa Su-Swagatam" মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে। ভারতে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে জমা দেওয়া যায় (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।

যাচাই করা যায়নি: একই বিজ্ঞপ্তিতে বলা ছিল, পরবর্তী ছয় মাস বা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কাগজের ফর্মও চালু থাকবে। সেই ছয় মাস পেরিয়ে গেছে, এবং কাগজের ফর্ম এখনো নেওয়া হয় কি না তা আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি। সম্ভব হলে অনলাইনেই জমা দিন, এবং এয়ারলাইনকে জিজ্ঞেস করুন।

মনোনীত হাসপাতালের নিয়ম। এটির শাস্তি সত্যিকারের।

"মেডিকেল ভিসার জন্য আবেদনকারীদের শুধুমাত্র সেই মনোনীত হাসপাতালে যেতে হবে যার জন্য ভিসা জারি করা হয়েছে। হাসপাতাল পরিবর্তনের জন্য ভারতে FRRO অনুমতির প্রয়োজন। FRRO অনুমতি ছাড়া হাসপাতাল পরিবর্তন করা ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণ হতে পারে।"

— আইভিএসি বাংলাদেশ, মেডিকেল ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ, ২৪ এপ্রিল ২০২৪ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)

এফআরআরও হলো Foreigners Regional Registration Office: https://indianfrro.gov.in/frro/।

এ কারণেই আমন্ত্রণ পত্রে কোন হাসপাতালের নাম থাকবে, সেটি নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয় — সেটিই আপনার চিকিৎসার জায়গা ঠিক করে দিচ্ছে। যে আপনার জন্য চিঠির ব্যবস্থা করছে, সে সিদ্ধান্তটি নিয়ে ফেলছে। চিঠি লেখা হওয়ার আগে জিজ্ঞেস করুন, কোন হাসপাতালের নাম থাকবে।


৮. যা আমরা উৎস থেকে পাইনি, তাই লিখিনি

  • মেডিকেল ভিসার মেয়াদ, কতবার যাতায়াত করা যায়, এবং কত দিন থাকা যায়। আমাদের পড়া আইভিএসি পাতাগুলোতে এগুলো লেখা নেই।
  • প্রক্রিয়াকরণে কত দিন লাগে। ওই পাতাগুলোতে প্রকাশিত নেই।
  • কোনো কেন্দ্রের দৈনিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট ধারণক্ষমতা। আইভিএসি বলছে ধারণক্ষমতা "নির্ধারিত"; সংখ্যাটি প্রকাশ করা হয়নি।
  • একজন রোগীর সঙ্গে অনুমোদিত অ্যাটেনডেন্টের সংখ্যা। M-2 আছে; সংখ্যা নেই।
  • কাগজের অ্যারাইভাল কার্ড এখনো নেওয়া হয় কি না (৭ নম্বর অনুচ্ছেদ)।
  • কোনো হাসপাতালের নাম, চিকিৎসার দাম, অপেক্ষার সময় বা সাফল্যের হার। আমরা কোনোটি যাচাই করিনি, তাই কোনোটি প্রকাশ করছি না।

এই পাতাটি সম্পর্কে

ইনফার্মি একটি মার্কেটপ্লেস। হাসপাতাল ও মেডিকেল ফ্যাসিলিটেটরদের তালিকাভুক্তি বিনামূল্যে; আমরা তাদের কাছ থেকে শুধু প্রতিটি যোগ্য লিডের (qualified lead) জন্য একটি ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করি — চিকিৎসার ওপর কোনো কমিশন নয়। আজ আমাদের তালিকায় একটিও প্রতিষ্ঠান নেই। এই পাতায় কোনো হাসপাতালের নাম নেই, কোনো চিকিৎসার দাম নেই, এবং কোনো চিকিৎসা-পরামর্শ নেই। আমরা ভিসা এজেন্ট নই এবং অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বিক্রি করি না। এখানে কিছু ভুল প্রমাণিত হলে, আমরা তা এখানেই সংশোধন করব এবং কবে করেছি তা লিখে রাখব।

এটি প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। Infirmy রোগ নির্ণয় করে না, চিকিৎসার সুপারিশ করে না এবং কাউকে বলে না কী ধরনের সেবা নিতে হবে।

সূত্র

নিচের প্রতিটি সূত্র উল্লিখিত তারিখে খুলে পড়া হয়েছে। এরপর কোনোটি বদলে গেলে এই পাতা পুরোনো হয়ে গেছে। আমাদের জানান, আমরা সংশোধন করে তারিখ দিয়ে দেব।

  1. The Daily Star, ২৫ জুন ২০২৬ — ভারত বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু করছে (ভারতীয় হাই কমিশনের বিবৃতিসহ)https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/india-resumes-tourist-visas-bangladeshis-after-nearly-two-years-4208051যাচাই 2026-09-11
  2. প্রথম আলো (ইংরেজি), ২৫ জুন ২০২৬ — ২৮ জুন থেকে পর্যটন ভিসাhttps://en.prothomalo.com/bangladesh/vbz48y2ai0যাচাই 2026-09-11
  3. The Daily Star, ১ জুলাই ২০২৬ — সব ক্যাটাগরিতে স্বয়ংক্রিয় টাইম-স্লটhttps://www.thedailystar.net/news/bangladesh/diplomacy/news/indian-visa-centres-introduce-automatic-time-slots-across-bangladesh-4213261যাচাই 2026-09-11
  4. আইভিএসি বাংলাদেশ — ভিসার ধরন এবং নথি (M-1 থেকে M-4, মেডিকেল ভিসার কাগজপত্র)https://www.ivacbd.com/kind-of-visas-documentsযাচাই 2026-09-11
  5. আইভিএসি বাংলাদেশ — হোমপেজ: চার ধাপের প্রক্রিয়া, পাঁচটি কেন্দ্র, ফি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি, নিরাপত্তা নিয়মাবলীhttps://www.ivacbd.com/যাচাই 2026-09-11
  6. আইভিএসি বাংলাদেশ — মেডিকেল ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ (২৪ এপ্রিল ২০২৪)https://www.ivacbd.com/important-advisory-for-medical-visaযাচাই 2026-09-11
  7. আইভিএসি বাংলাদেশ — ই-অ্যারাইভাল কার্ড (বিজ্ঞপ্তি ১৪ অক্টোবর ২০২৫, কার্যকর ১ অক্টোবর ২০২৫)https://www.ivacbd.com/e-arrival-card-for-foreign-nationals-travelling-to-indiaযাচাই 2026-09-11