তথ্য যাচাই করা হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে। এই পাতার প্রতিটি তথ্য আমরা নিজেরা মূল উৎস থেকে পড়েছি। তথ্যের পাশেই উৎসের লিংক দেওয়া আছে। নিয়ম বদলাতে পারে। কিছু করার আগে লিংকটি খুলে নিজে দেখে নিন।
সংক্ষেপে কথাটা এই
ঢাকার ভারতীয় হাই কমিশন নিজেই একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে — যারা ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বিক্রি করে, তাদের নিয়ে। তাদের নিজেদের ভাষায়:
"অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বা ভিসা দ্রুত বিতরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা সম্পূর্ণরূপে প্রতারণামূলক।"
— ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভিএসি) বাংলাদেশ, জালিয়াতি ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
এই একটি বাক্যেই বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর আছে। কেউ যদি অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেওয়ার জন্য বা ভিসা দ্রুত করিয়ে দেওয়ার জন্য টাকা চায় — ভারত সরকার সেটিকে প্রতারণা বলছে।
১. একজন বাংলাদেশি নাগরিকের ভারতীয় ভিসায় আসলে কত খরচ
টাকার হিসাব মাত্র দুটি। দুটিই আইভিএসি নিজে প্রকাশ করেছে।
ভারতীয় ভিসা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আইভিএসি-র নিজের ভাষায়:
"বর্তমান নীতিমালার আওতায়, ভারত সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের নিকট থেকে কোনো ভিসা ফি গ্রহণ করে না এবং ভারতীয় ভিসা বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য পূর্বের ন্যায় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।"
— আইভিএসি বাংলাদেশ, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
আইভিএসি নেয় ১,৫০০ টাকা। এটি ভিসার ফি নয় — আবেদন প্রক্রিয়া করার সার্ভিস চার্জ। আইভিএসি লিখেছে, ১০.০৮.২০২৫ তারিখ থেকে এই ফি "সর্বমোট ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) বাংলাদেশি টাকা" নির্ধারণ করা হয়েছে, এবং ২০১৮ সালের পর এটিই প্রথম পরিবর্তন (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
অর্থাৎ: ভারত সরকারকে শূন্য টাকা, আইভিএসি-কে ১,৫০০ টাকা।
কেউ যদি আপনার কাছে "ভিসা ফি" চায়, সে আপনার কাছে এমন একটা জিনিসের দাম চাইছে যেটা বিনামূল্যে। সরকারি বা কেন্দ্রের খরচ হিসেবে ১,৫০০ টাকার বেশি চাইলে লিখিতভাবে জিজ্ঞেস করুন — বাড়তি টাকাটা ঠিক কোন দপ্তরে যাচ্ছে।
২. "হাই কমিশনের কোনো এজেন্ট নেই"
এটি আমাদের মতামত নয়। এটি ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখের একটি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি:
"ভারতীয় হাই কমিশন এবং ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কোনো এজেন্ট নেই। ভারতীয় হাই কমিশন এবং ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র কোনো প্রতারক ও এজেন্টের কার্যকলাপের জন্য দায়বদ্ধ নয়। এজেন্ট, প্রতারক, দালাল বা যে কোনো ব্যক্তি ভারতীয় ভিসা পেতে সাহায্য করতে চাইলে তাদের কোনো প্রকার অর্থ প্রদান করবেন না। … এজেন্ট এবং প্রতারকের সাহায্য গ্রহণ আপনার ভিসা আবেদনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।"
— আইভিএসি বাংলাদেশ, প্রতারক ও এজেন্ট হতে সাবধান (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
কীভাবে যোগাযোগ করা হয়, সেটিও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা আছে:
"ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশন বা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটস্থ সহকারী হাই কমিশনের কেউই কখনো ব্যক্তিগত ফোন কল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে আবেদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটের বিনিময়ে অর্থ দাবি করে না।"
— আইভিএসি বাংলাদেশ, জালিয়াতি ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
তাই ফোনে, ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপে বা কোনো অফিসে বসে কেউ যদি বলে সে হাই কমিশনের লোক এবং টাকার বিনিময়ে স্লট এনে দিতে পারে — হাই কমিশন বলছে, তাদের কাজের পদ্ধতি এটা নয়।
৩. অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় সিস্টেম ঠিক করে দেয় — আপনি বেছে নেন না, টাকা দিয়েও বদলায় না
১ জুলাই ২০২৬ থেকে বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় দেয় সিস্টেম নিজে — আবেদনকারী বেছে নেন না। আইভিএসি-র বিজ্ঞপ্তি, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে:
"Time-slots shall be allotted automatically by the system in a sequential manner based on the daily configured appointment capacity of each visa application centre."
(বাংলায় এর অর্থ: প্রতিটি ভিসা আবেদন কেন্দ্রের দৈনিক নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট ধারণক্ষমতার ভিত্তিতে সিস্টেম নিজেই ধারাবাহিকভাবে টাইম-স্লট বরাদ্দ করবে।)
একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনকারীকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের সময় হাতে করে টাইম-স্লট বেছে নিতে হবে না।
— দ্য ডেইলি স্টার, ১ জুলাই ২০২৬ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
এবার দুটো মিলিয়ে পড়ুন। সিস্টেম আপনার সময় ঠিক করে দেয়, আপনি বেছে নেন না। আর স্লটের জন্য টাকা দেওয়া নিয়ে হাই কমিশনের কথাটা উপরেই উদ্ধৃত আছে: "অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বা ভিসা দ্রুত বিতরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা সম্পূর্ণরূপে প্রতারণামূলক।"
কথাটা আমরা সাবধানে বলছি, কারণ অনেকেই এর শিকার হন এবং আমরা কাউকে মিথ্যাবাদী বলতে চাই না। আপনি কাউকে টাকা দেওয়ার পর যদি সত্যিই একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট এসে থাকে, তার মানে এই নয় যে টাকাটা নেওয়া বৈধ ছিল। এর মানে হলো, ভারত সরকার যেটির জন্য কারও টাকা নেওয়ার কথা নয় বলছে, সেটির জন্যই আপনার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ জানানোর ঠিকানা ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে আছে।
৪. এজেন্ট দিয়ে আবেদন করালে, দেরি বা প্রত্যাখ্যানের দায় আইভিএসি নেবে না
এই জায়গাতেই মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়। বিষয়টা এক বাক্যে লেখা আছে:
"দেখা গেছে যে এজেন্টরা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রকৃত আবেদনকারীদের বিভ্রান্ত করছে এবং মাঝে মাঝে কেবল অর্থ আত্মসাতের পথ বেছে নিচ্ছে। এখানে স্পষ্ট করে বলা হচ্ছে যে, আবেদনকারীদের পক্ষে এজেন্টদের দ্বারা পরিচালিত ভিসা আবেদনের কোনও ফলাফলের জন্য, যার মধ্যে বিলম্ব এবং প্রত্যাখ্যান অন্তর্ভুক্ত, IVAC দায়বদ্ধ থাকবে না।"
— আইভিএসি বাংলাদেশ, ৩০ মার্চ ২০২৫ তারিখের বিজ্ঞপ্তি (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
টাকা দিয়ে এজেন্ট দিয়ে আবেদন করানোর পর যদি দেরি হয় বা ভিসা না হয়, আইভিএসি-র কাছে আপনার কিছু বলার থাকবে না। তখন বিষয়টা দাঁড়ায় শুধু ওই এজেন্টের সঙ্গে আপনার ব্যক্তিগত ঝামেলা।
৫. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ — মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র
মেডিকেল ভিসার জন্য আইভিএসি-র প্রকাশিত তালিকায় সাধারণ কাগজপত্রের পাশাপাশি যা লাগে:
- নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে ভারত থেকে মেডিকেল আমন্ত্রণ পত্র;
- স্বীকৃত হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর অবস্থার বিস্তারিত বিবরণসহ চিকিৎসার মূল সনদপত্র;
- প্রথমবার গেলে — বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য চিকিৎসাধীন ডাক্তারের সুপারিশ; চিকিৎসা চলমান থাকলে — ভারতের চিকিৎসাধীন ডাক্তারের সুপারিশ;
- চিকিৎসা সংক্রান্ত সব মূল কাগজপত্র;
- বাসস্থান, পেশা ও আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ; এবং সব পুরনো পাসপোর্ট।
(উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬। লক্ষ্য করুন: পাতাটিতে ১৬ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখ দেখানো থাকলেও এতে নতুন ভিসা কাঠামোর তথ্য আছে। আমরা যেদিন পড়েছি সেদিনকার তালিকা হিসেবেই এটি ধরুন, এবং আবেদনের আগে পাতাটি নিজে একবার খুলে দেখুন।)
এবার এর সঙ্গে ২৪ এপ্রিল ২০২৪ তারিখের এই বিজ্ঞপ্তিটি মিলিয়ে পড়ুন:
"মেডিকেল ভিসার জন্য আবেদনকারীদের শুধুমাত্র সেই মনোনীত হাসপাতালে যেতে হবে যার জন্য ভিসা জারি করা হয়েছে। হাসপাতাল পরিবর্তনের জন্য ভারতে FRRO অনুমতির প্রয়োজন। FRRO অনুমতি ছাড়া হাসপাতাল পরিবর্তন করা ভিসা নিয়ম লঙ্ঘনের পরিমাণ এবং ভবিষ্যতে ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার কারণ হতে পারে।"
— আইভিএসি বাংলাদেশ, মেডিকেল ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
দুটো একসঙ্গে পড়লে এই পাতার সবচেয়ে কাজের কথাটা বেরিয়ে আসে:
যে আপনার আমন্ত্রণ পত্র জোগাড় করছে, সে-ই আপনার হাসপাতাল ঠিক করে ফেলছে। আপনার ভিসা ওই চিঠিতে লেখা হাসপাতালের সঙ্গে বাঁধা থাকবে। ভারতে পৌঁছে হাসপাতাল বদলাতে চাইলে এফআরআরও-র অনুমতি লাগবে (Foreigners Regional Registration Office, https://indianfrro.gov.in/frro/)। অনুমতি ছাড়া বদলালে আইভিএসি বলছে সেটি ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন এবং ভবিষ্যতে ভারতে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।
তাই কেউ আপনার জন্য আমন্ত্রণ পত্রের ব্যবস্থা করার আগে একটাই প্রশ্ন করুন: চিঠিতে কোন হাসপাতালের নাম থাকবে? ওই হাসপাতালের সঙ্গেই আপনার ভিসা বাঁধা পড়বে।
৬. আসল আবেদন দেখতে কেমন
আইভিএসি প্রক্রিয়াটি চার ধাপে প্রকাশ করেছে:
- অনলাইনে আবেদন
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং পেমেন্ট নির্বাচন
- আইভিএসি-তে ফর্ম জমা দেওয়া
- পাসপোর্ট গ্রহণ
(উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)
আইভিএসি নিজে যে সরকারি লিংকগুলো দেখায়:
- অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্ম: https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/index.html
- অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং: https://appointment.ivacbd.com/
- আইভিএসি বাংলাদেশ: https://www.ivacbd.com/
- আইভিএসি ফোন: ০৯৬১২ ৩৩৩ ৬৬৬ এবং ০৯৬১৪ ৩৩৩ ৬৬৬
কেন্দ্র পাঁচটি — ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট (উৎস, পড়া হয়েছে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় আপনার নিজের অ্যাপয়েন্টমেন্ট কনফার্মেশনেই লেখা থাকবে। সেটি সিস্টেম দিয়েছে। কেউ যদি আপনাকে এমন কোনো স্লট দেখায় যা আপনার নিজের কনফার্মেশন থেকে আসেনি, জিজ্ঞেস করুন সেটি কোথা থেকে এল।
৭. অভিযোগ কোথায় জানাবেন
এই ঠিকানাগুলো আইভিএসি নিজে প্রকাশ করেছে। আমরা শুধু তুলে দিচ্ছি, নিজে থেকে কিছু যোগ করিনি।
- ফোন: ০১৩২৫০৮৯৯৭৫ — অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট নিয়ে সন্দেহজনক যোগাযোগের কথা জানানোর জন্য, জালিয়াতি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া (উৎস)।
- ইমেইল: visahelp@ivacbd.com, info@ivacbd.com এবং visahelp.dhaka@mea.gov.in — দালাল ও এজেন্টের বিষয়ে জানানোর জন্য, ৩ আগস্ট ২০২৫-এর বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া (উৎস)।
- আইভিএসি-র ওয়েবসাইটে একটি অভিযোগ ও মতামত ফর্মও আছে: https://www.ivacbd.com/
৮. যা আমরা জানি না, এবং অনুমান করে লিখব না
ফাঁকা জায়গা রেখে দেওয়া ভালো, প্রমাণ ছাড়া কথা লেখার চেয়ে।
- দিনে কতগুলো অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট দেওয়া হয়, আমরা জানি না। আইভিএসি বলেছে প্রতিটি কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা "নির্ধারিত", কিন্তু সংখ্যাটি প্রকাশ করেনি। অন্য ওয়েবসাইটে যেসব সংখ্যা ঘোরে, সেগুলোর কোনো সরকারি উৎস আমরা খুঁজে পাইনি, তাই পুনরাবৃত্তি করছি না।
- মেডিকেল ভিসার মেয়াদ কত, কতবার যাওয়া যায়, বা প্রক্রিয়াকরণে কত দিন লাগে — আমরা জানি না। আমরা যেসব আইভিএসি পাতা পড়েছি, তাতে এগুলো লেখা নেই। আইভিএসি-তে জিজ্ঞেস করুন, অথবা নিজের ভিসার গায়ে দেখুন।
- একজন রোগীর সঙ্গে কতজন অ্যাটেনডেন্ট যেতে পারেন, আমরা জানি না। ভারতের ভিসা তালিকায় M-2 ক্যাটাগরি আছে — "M-1 ভিসা নিয়ে আগতদের চিকিৎসা সহকারীদের জন্য" (উৎস) — কিন্তু কোনো সংখ্যা আমরা কোথাও প্রকাশিত দেখিনি। কেউ নির্দিষ্ট সংখ্যা বললে জিজ্ঞেস করুন সেটি কোথায় লেখা আছে।
- এই পাতায় কোনো হাসপাতালের নাম বা চিকিৎসার খরচ লিখিনি, কারণ আমরা এখনও কোনোটি যাচাই করিনি।
এই পাতাটি সম্পর্কে
ইনফার্মি একটি মার্কেটপ্লেস। হাসপাতাল ও মেডিকেল ফ্যাসিলিটেটরদের তালিকাভুক্তি বিনামূল্যে; আমরা তাদের কাছ থেকে শুধু প্রতিটি যোগ্য লিডের (qualified lead) জন্য একটি ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করি — চিকিৎসার ওপর কোনো কমিশন নয়। আজ আমাদের তালিকায় একটিও প্রতিষ্ঠান নেই, এবং এই পাতায় কোনো হাসপাতালের নাম নেই। আমরা ভিসা এজেন্ট নই, অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বিক্রি করি না, এবং এই পাতার কোনো কথাই চিকিৎসা-পরামর্শ নয়। এখানে কোনো তথ্য ভুল প্রমাণিত হলে, আমরা তা এখানেই সংশোধন করব এবং কবে করেছি তা লিখে রাখব।
এটি প্রক্রিয়া ও কাগজপত্র সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। Infirmy রোগ নির্ণয় করে না, চিকিৎসার সুপারিশ করে না এবং কাউকে বলে না কী ধরনের সেবা নিতে হবে।
সূত্র
নিচের প্রতিটি সূত্র উল্লিখিত তারিখে খুলে পড়া হয়েছে। এরপর কোনোটি বদলে গেলে এই পাতা পুরোনো হয়ে গেছে। আমাদের জানান, আমরা সংশোধন করে তারিখ দিয়ে দেব।
- আইভিএসি বাংলাদেশ — উপদেশ ৩ / Advisory 3: জালিয়াতি ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিhttps://www.ivacbd.com/advisory-3যাচাই 2026-09-11
- আইভিএসি বাংলাদেশ — প্রতারক ও এজেন্ট হতে সাবধান (৩ আগস্ট ২০২৫)https://www.ivacbd.com/beware-of-touts-agents-and-fake-visa-promises-496যাচাই 2026-09-11
- আইভিএসি বাংলাদেশ — এজেন্টরা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রকৃত আবেদনকারীদের বিভ্রান্ত করছে (৩০ মার্চ ২০২৫)https://www.ivacbd.com/agents-are-misleading-bona-fide-applicants-with-false-promises-and-at-times-simply-resorting-to-embezzlementযাচাই 2026-09-11
- আইভিএসি বাংলাদেশ — ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি (১০.০৮.২০২৫ থেকে কার্যকর)https://www.ivacbd.com/যাচাই 2026-09-11
- আইভিএসি বাংলাদেশ — মেডিকেল ভিসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ (২৪ এপ্রিল ২০২৪)https://www.ivacbd.com/important-advisory-for-medical-visaযাচাই 2026-09-11
- আইভিএসি বাংলাদেশ — ভিসার ধরন এবং নথি (মেডিকেল ভিসার কাগজপত্রের তালিকা)https://www.ivacbd.com/kind-of-visas-documentsযাচাই 2026-09-11
- The Daily Star, ১ জুলাই ২০২৬ — আইভিএসিতে স্বয়ংক্রিয় টাইম-স্লট চালুhttps://www.thedailystar.net/news/bangladesh/diplomacy/news/indian-visa-centres-introduce-automatic-time-slots-across-bangladesh-4213261যাচাই 2026-09-11
